দৈনিক মতামত

মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী

খামার ব্যাবসা

কোয়েল পাখি পালন করার নিয়ম ও কোয়েল পাখির ব্যবসা

আমার সোনার বাংলাদেশে প্রতিদিন বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে মরছে শত শত যুবক। অথচ আমরা ছোট পূজিতে হালকা উদ্দোক্তা হলেই খুব অনায়সেই হয়ে যেতে পারি স্বাবলম্বী।ইতি পুর্বে আমরা আলোচনা করেছি কবুতর পালন করার নিয়ম ও অল্প পুঁজিতে কবুতরের ব্যবসা করার নিয়ম

প্রিয় পাঠক! আজকে আমরা আপনাদেরকে জানাবো কিভাবে মাত্র অল্প পুুঁজিতে কোয়েল পালন করে আপনি হবেন একজন সফল উদ্দোক্তা ।এবং পরিবারকে নিয়ে হয়ে যাবেন স্বাবলম্বী।

কোয়েল পাখি

কোয়েল পাখি হলো প্রায় গোলাকার এক ধরনের মাঝারি পাখি। দেখলে মনে হবে এ যেন একটি তিতি। তবে, আকারে তিতির চেয়ে অনেকটিই ছোট আকারের।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিতঃ- কৃষি তথ্য সার্ভিস এর ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে যে, পোলট্রিতে মাত্র ১১ টি প্রজাতি রয়েছে ।তারমধ্যে কোয়েল হলো সবচেয়ে ছোট আকারের গৃহ পালিত পাখি।গুণগত ভাবে গৃহপালিত প্রাণীর মধ্যে কোয়েল পাখির মাংস ও ডিম সর্ব উৎকৃষ্ট।তাছাড়াও কোয়েল পাখির ডিমে কোলেস্টেরল কম এবং আমিষ বেশি হওয়ার কারণে যে কেউই কোয়েল পাখির ডিম খেতে পছন্দ করে।

কোয়েল পাখির
কোয়েল পাখি

কোয়েল পাখি পালনের সুবিধা

  1. আকৃতি ছোট হওয়ায় খুব অল্প জায়গাতেই কোয়েল পাখি পালন করা যায়।
  2. খাদ্য খুব কমই খায় তাই ময়লা-আবর্জনা সাফ করার অত বেশি ঝামেলা থাকে না।
  3. দৈনিক মাত্র তিনবেলা খাওয়া আর ডিম তোলা ছাড়া বাড়তি কোন খরচ হয় না।
  4. দাম কম হওয়ায় খুব অল্প টাকায় পালন করা যায়। এবং অল্প পূজিতেই ব্যবসা করা যায়।
  5. কোয়েল পাখির মাংস ও ডিম সর্বোৎকৃষ্ট মানের খাদ্য হিসাবে ব্যহৃত হয়।
  6. কোয়েল পাখির রোগ-বালাই এর তেমন কোন ঝামেলা থাকে না।
  7. জাপানি কোয়েল মাত্র ৪৫/৫০ দিনে ডিম দেয়, বব হোয়েট ৫৬/৬০ দিনে ডিম দেয়।
  8. কোয়েল পাখি সারা বছর পালন করা যায়, এবং সারা বছরই ডিমের ব্যপক চাহিদা থাকে।

ব্যাবসার জন্য কোয়েল পাখির প্রকারভেদ

ব্যবসায়ীক কোয়েল পাখি তিন প্রকার।

  1.  লেয়ার কোয়েল (Layer quail) 
  2.  ব্রয়লার কোয়েল (Broil quail)   
  3. ব্রিডার কোয়েল (Breeder quail)

লেয়ার কোয়েল (Layer quail) 

লেয়ার কোয়েল (Layer quail)  এটাকে মূলত কোয়েল পাখির ডিমের জন্য পালন করা হয়। জাপানি লেয়ার কোয়েল ৪৫ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যে ডিম দেয়।একটি জাপানি লেয়ার কোয়েল পাখি বৎসরে ২০০ থেকে ২৫০ টি ডিম দেয়।একটি ববহোয়াইট কোয়েল পাখি ৫৬ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে ডিম দেয়। এবং বৎসরে ১৫০ থেকে ২০০ টি ডিম দেয়।

ব্রয়লার কোয়েলঃ

নরম ও সুস্বাদু মাংস উত্পাদনের জন্য কোয়েলী নির্বিশেষে কোয়েলগুলোকে ব্রয়লার কোয়েল বলা যায়৷ মাংস উত্পাদনের জন্য জন্মের দিন থেকে পাঁচ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত এবং ববহোয়াইট কোয়েলকে ৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত পালন করা হয়৷ এ সময়ের মধ্যে জীবিতাবস্থায় একেকটি পাখির ওজন হয় ১৪০-১৫০ গ্রাম এবং ওগুলো প্রায় ৭২.৫% খাওয়ার উপযোগী মাংস পাওয়া যায়৷ 

ব্রিডার কো

লেয়ার, ব্রয়লার ও শোভাবর্ধনকারী কোয়েলের বাচ্চা ফোটানোর লক্ষ্যে ডিম উত্পাদনের জন্য ব্যবহৃত বাছাই করা প্রজননক্ষম কোয়েল ও কোয়েলীকে ব্রিডার কোয়েল বলা হয়৷ সাধারণত ৭-৮ সপ্তাহ বয়সের জাপানী কোয়েলী ও ১০ সপ্তাহ বয়সের কোয়েল ব্রিডিং খামারে এলে পালন করা হয়৷ কোয়েল-কোয়েলীগুলোকে ব্রিডিং খামারে ৩০ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত রাখা হয়৷ ববহোয়াইট কোয়েল ৮-১০ সপ্তাহ বয়সে প্রজননক্ষম হয়৷ প্রজননের জন্য কোয়েল ও কোয়েলীর অনুপাত ১:১ অর্থাত্এদের জোড়ায় পালন করতে হয়৷

কোয়েল পালন

গৃহপালিত পশু পাখির মধ্যে সবচেয়ে সহজ ও স্বল্প মূল্যে অল্প জায়গাতে কোয়েল পালন করা সম্ভব।একটি মুরগীর পরিবর্তে ৮ কোয়েল পালন করা সম্ভব। আপনার পরিবারকে সুস্থ্য ও স্ববল রাখতে এবং আউট ইনকাম সোর্স হিসাবেও কোয়েল পাখি পালন করা যায়।

কোয়েল পাখি পালন করার পদ্ধতি

কোয়েল পাখি পালন করতে হলে আপনাকে কোয়েল পাখি পালন করার নিয়ম কানুন জানতে হবে।অন্যথায় আপনার উদ্দেশ্য সফল হবে না। বরঞ্চ লোকসান হবে।তো জেনে নিন কোয়েল পাখি পালন করার সঠিক পদ্ধতি।

কোয়েল পাখি পালন করে সফল হতে চাইলে সর্বপ্রথম আপনার কিছু অর্থের প্রয়োজন হব। আপনি যদি শুধু মাত্র পুষ্টিকর খাদ্য হিসাবে কোয়েল পাখি পালন করতে চান তাহলে ১ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। আর যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে কোয়েল পাখি পালন করতে চান তাহলে ১০ টাকা দিয়েই কোয়েল পাখির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সুতরাং কোয়েল পাখি পালন করতে চাইলে সবার আগে টাকা জোগাড় করুন।

কোয়েল পাখি পালনের উপযোগী জায়গা

টাকা যোগাড় করার আগে অবশ্যই কোয়েল পালন করার জন্য একটি নিরাপদ স্থানের সন্ধান করতে হবে। আর কোয়েলের জন্য এমন স্থান খুঁজবেন যেখানে হিংস্র পশু-পাখি তথাঃ- চিল শকুন এবং শিয়াল মামার ভয় না থাকে। আর এমন জায়গায় কোয়েল পালন করুন যেখানে সূর্যের আলো, বাতাস আসতে পারে। এবং কোয়েলোর ঘর জলে ভিজে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা না থাকে।

আর যখন আপনি কোয়েল পালন করার জন্য উপযোগী স্থান খুঁজে পাবেন, তখন আপনাকে কবুতরের ঘর তৈরি করতে হবে। তো জেনে নিন কবুতরের ঘর তৈরি করার নিয়ম। বিস্তারিত….

কোয়েল পাখির ঘরের প্রকারভেদ

ঘরের প্রকারভেদঃকোয়েল পালনের উদ্দেশ্যের উপরভিত্তি করে এদের ঘর বিভিন্ন প্রকার হতে পারে, যেমন-

  1. হ্যাচারী ঘর (Hatchery) : এ ধরনের ঘরে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো হয়৷
  2. ব্রডার ঘর (Brooder House): এখানে সদ্য ফোটা বাচ্চাদের জন্মের পর থেকে ২/৩ (বা অবস্থাভেদে ৩-৪) সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত কৃত্রিমভাবে তাপ প্রদানের মাধ্যমে পালন করা হয়৷
  3. গ্রোয়ার ঘর (Grower house) : এখানে ৩-৫ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত বাচ্চা কোয়েলকে পালন করা হয়৷
  4. ডিম পাড়া ঘর (Layer House) : এখানে ৬-৬০ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ডিম উত্পাদনকারী কোয়েলগুলোকে পালন করা হয়৷
  5. ব্রয়লার ঘর (Broiler House) : এখানে একদিন থেকে ৫ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত মাংস উত্পাদনকারী কোয়েলগুলোকে পালন করা হয়৷

কোয়েল পাখির খাঁচা

কোয়েল পাখি পালন করার জন্য কোয়েল পাখির ঘর একটি জরুরী বিষয়।ঘরের উপরই কোয়েলের ভালো মন্দ নির্ভর করবে। কোয়েলের ঘর তৈরি করার জন্য আপনাকে নিম্মুক্ত কিছু বিষয় জানতে হবে যে, আপনি কিভাবে কোয়েল পাখি পালন করতে চান? খাঁচায় আবদ্ধ রেখে? না, ঘরে আবদ্ধ রেখে?

যদি খাঁচায় আবদ্ধ রেখে পালতে চাম তাহলে এই ভিডিওটি দেখুন।

কোয়েল পাখির খাঁচা তৈরি

কোয়েল পাখি পালনের জন্য খালি ঘরে হালকা কাের ভুসি দিয়েও পালন করা যেতে পারে।বিষয়টি বুঝার জন্য নিচের ভিডিওটি দেখুন।

কোয়েল পাখির ঘর

খামারের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণঃ

কোয়েলের খামার পরিচালনার জন্য বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও উপকরণের প্রয়োজন হয় নিম্নে এগুলোর একটি তালিকা প্রদান করা হলঃ যথা-    ১. ব্রুডার হোভার    ২. হিটার/স্টোভ    ৩. প্লাস্টিকের টিক ফিড ট্রে    ৪. খাবার পাত্র    ৫. পানির পাত্র    ৬. ডিম পাড়ার বাক্স (লিটার পদ্ধতির ক্ষেত্রে)    ৭. ইলেকট্রিক বাল্ব    ৮. নিক্তি বা ব্যালান্স    ৯. বালতি, বেলচা, কোদাল, বাটি, চাকু, ঝুড়ি, আঁচড়া, টুলি ইত্যাদি৷    ১০. খাঁচাতে পালন করলে প্রয়োজনীয় খাঁচা৷    ১১. বাঁশ, কাঠ, ঢেউটিন, পলিথিন বা ত্রিপল ইত্যাদি৷    ১২. থার্মোমিটার, হাইপ্রোমিটার    ১৩. লিটার সামগ্রী (তুষ, কাঠের গুঁড়া ইত্যাদি)    ১৪. ব্যাটারী ব্রুডার৷    ১৫. ডিম পাড়ার বাসা
নিম্নে গুরুত্বপূর্ণ কিছু যন্ত্রপাতি ও উপকরণের বর্ণনা দেওয়া হলোঃখাবার পাত্র (Feeder) একটি উত্কৃষ্টমানের কোয়েলের খাবার পাত্রের বৈশিষ্ট হবে;    (ক) একটি খাদ্য দিয়ে সহজেয়ই পূর্ণ করা যাবে৷    (খ) পরিস্কার করা সহজ হবে৷  
পানির পাত্র (Water or drunker) :খাঁচা বা লিটার যে পদ্ধতিতেই পালন করা হোক না কেন একটি উত্কৃষ্টমানের কোয়েলর পানির পাত্রের বৈশিষ্ট হবে নিম্নরূপ-    (ক) এটি থেকে পাখি পরিচ্ছন্ন পানির সরবরাহ পাবে৷    (খ) এটি পানি পানের উপযোগী হবে৷    (গ) পরিস্কার করা সহজ হবে৷    (ঘ) টেকসই ও দামে সস্তা হবে৷

আমরা যখন কোয়েল পাখির জন্য টাকা ও উপযোগী জায়গা এবং খাঁচা তৈরি করতে সক্ষম হবো। তখন আমাদের আর বাকি থাকবে কোয়েল পাখি ক্রয় করা। কোয়েল পাখি ক্রয় করতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে কোয়েল পাখির দাম জানতে হবে।তো কোয়েল পাখির দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

কোয়েল পাখির দাম

আসলে সত্য কথা হলো কোয়েল পাখির দামটা বিভিন্ন হিসাব নিকাশ করে চলে।যেমনঃ- গরমকালেে ডিমের চাহিদা কম থাকায় বাচ্চার দামও কম থাকে। আর শীতকালে ডিমের চাহিদ বেশি থাকায় বাচ্চার দামও বেড়ে যায়।এছাড়াও বয়স-কাল এবং স্থানেরও হিসাব হয়ে।অর্থাৎ নোয়াখালীর দাম দিয়ে আপনি নরসিংদী থেকে কিনতে পারবেন না। তো যাই হোক সাধারণত যে দাম হয় আমরা তা নিয়েই এবার আলোচনা করবো।

কোয়েলের বয়সজাতদাম
১ দিননরমাল৬-৮
৭ দিননরমাল৭-৮
১৫ দিননরমাল১৫-১৮
২৫ দিননরমাল২৫-২৮
৩০ দিনপুরুষ২৬-২৮
৩০ দিনমহিলা৩০-৩২
৪০ দিনপুরুষ৩০-৩৫
৪০ দিনমহিলা৪০-৪৫

আমরা যখন কোয়েল পাখি পালন করার স্থান ও খাঁচা পেয়েছও, এবং দাম ও জেনেছি,এখন শুধু বাকি রয়েছে কোয়েল পাখির খাদ্য। তো জেনে নিন কোয়েল পাখির খাদ্য কি?

কোয়েল পাখির ডিম ফুটানো

কোয়েল পাখির ডিম কিভাবে ফুটায় তা জানতে হলে নিচের ভিডিওটি দেখুন।

কোয়েল পাখির ডিম ফুটানো

কোয়েল পাখির ডিমের উপকারিকা

খাওয়ার উপযোগী এমন যে কোন ডিম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এটা মহা সত্য কথা। তারচেয়ে বড় সত্য কথা হলো যে কোন ডিম আপনি অতিরিক্ত খেতে পারবেন না। আবার অনেক ডিম রয়েছে যে, তা চিরতরেই ডাক্তাররা অনেক জনের জন্য নিষিদ্ধ করে দেন।যেমনঃ- আমার অতিরিক্ত এলার্জি হওয়ার কারণে হাসের ডিম নিষিদ্ধ। অনেক ডাক্তাররা আবার ৪০ উর্ধ্ব সকল রোগিকে যে কোন ডিম খেতে নিষেধ করেন। শুধু মাত্র কোয়েল পাখির ডিম ছাড়া। কেননা কোয়েল পাখির ডিমে  কোলেস্টেরল অনেক কম এবং আমিষ বেশি, তাই এটা স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি করে না।বরঞ্চ কোয়েল পাখির ডিম স্বাস্থ্যের অনেক উপারে আসে যা আমি নিম্নে বর্ণনা করলাম।

  1. নিয়মিত কোয়েল পাখির ডিম খেলে কিডনি ও লিভারের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যায়।
  2. চায়নিজ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বলা হয় যে, নিয়মিত কোয়েল পাখির ডিম টিবি, অ্যাজমা, এবং ডায়বেটিস রোগের সমস্যা সমাধান সম্ভব।
  3. কোয়েল পাখির ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম এবং অ্যামাইনো এসিড থাকে যে, নিয়মিত কোয়েল পাখির ডিম খেলে শরীরের সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হবে, এবং কার্য ক্ষমতা তূলনা মূলক বেড়ে যাবে।
  4. কোয়েল পাখির ডিম পাকস্থলীর সমস্যা দূর করতে সক্ষম।
  5. কোয়েল পাখির ডিম আপনার ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সক্ষম।
  6. কোয়েল পাখির ডিমে রয়েছে এমন কতিপয় উৎপাদন যা আপনার শরীরে গিয়ে এমন অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়াকে নষ্ট করে।
  7. কোয়েল পাখির ডিম মেডিসিন হিসাবে বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
  8. কোয়েল পাখির ডিম শারীরিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি স্মৃতি শক্তি/স্মরণ শক্তি ও বুঝ শক্তিকে প্রখর করে তুলে।
  9. কোয়েল পাখির ডিমের কুসুমে মুরগির চেয়েও সাত গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।
  10. কোয়েল পাখির ডিমে প্রতি একশ গ্রামে রয়েছে ১৩.০৫ গ্রাম প্রোটিন এবং ১৫৮ ক্যালরি।

1 COMMENTS

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *